চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোলো (হার্ডকভার)

আস সারিমুল মাসলুল আলা শাতিমির রাসূল

    ৬১৩ হিজরির রজব মাস। আসসাফ নামের এক খ্রিস্টান রাসূল-কে নিয়ে কটুক্তি করল। আসসাফের বিচারের দাবিতে ফুসে উঠল নবীপ্রেমিক জনতা। পরিস্থিতি নাজুক দেখে তৎকালীন আমীর আহমাদ আল-হিজাজির কাছে আশ্রয় নিল ‘শাতিমে রাসূল’ আসসাফ। এ পরিস্থিতিতে ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা এবং শাইখ যায়নুদ্দীন আল-ফারকি নায়েবে আমীর ইজুদ্দীন আবিক আল- হামাবি’র কাছে আসসাফের উপযুক্ত বিচার চাইলেন। নায়েবে আমীর ইজ্জুদ্দীন ডেকে পাঠালেন রাসূলকে গালিদানকারী নরাধম আসসাফকে। সমাবেত জনতা তাকে দেখে উপহাস করতে লাগল। এক আরব বেদুঈন ছিল আসসাফের সাথে। সেই বেদুঈন তার পক্ষ নিয়ে সমবেত মুসলিমদের সাথে তর্ক জুড়ে দিল। ক্রুদ্ধ জনতা দুজনকেই গণধােলাই দিল। নায়েবে আমীর ইজুদিন এ ঘটনার সম্পূর্ণ দায় চাপালেন ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা এবং শাইখ যায়নুদ্দীনের ওপর তারাই নাকি জগণকে ফুসলিয়েছে। তাই ইজুদ্দীনের নির্দেশে বেত্রাঘাত করা হলাে দুজনকে। কিন্তু আসসাফের অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও কোনাে শাস্তি না দিয়ে ওকে ছেড়ে দেওয়া হলাে। এ ঘটনার পর আল্লাহর রাসূল সা:-কে গালিদাতার বিধান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ইবনে তায়মিয়্যা, “আস-সারিমুল মাসলুল আলা শাতিমির রাসূল নামক কালজয়ী গ্রন্থটি রচনা করেন। শাতিমে রাসূলের একমাত্র শাস্তি যে মৃত্যুদণ্ড, তা কুরআন, হাদীস ও মহান ইমামদের বক্তব্যের আলােকে এই কিতাবে তিনি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। আমাদের সময়েও আসসাফের মতাে অসংখ্য নরাধম মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই আধুনিক আসসাফদের বিধান কী হবে, এ কিতাবটি সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে।
Cash On Delivery
7 Days Happy Return
Delivery Charge Tk. 50(Online Order)
t

এই লেখকের আরো বই