চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোলো (হার্ডকভার)

দারোগার দপ্তর ৩ খণ্ড একত্রে

    নদীয়ার জয়রামপুর গ্রাম ও আশাপাশে তখন অর্থাৎ ১৯ শতকে বাঘের উৎপাত বড্ড বেশি। বাঘ বলতে সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগার নয়। চিতা জাতীয় বাঘ যাকে স্থানীয়ভাবে নেকড়ে বাঘ বলে। লেজসহ যার আকার ৮-১০ হাত পর্যন্তও দেখা যেত। একদিন সন্ধ্যার সময় ভীষণ রব উঠলো প্রিয়নাথদের বাড়ির পাশ্ববর্তী বাজার থেকে, বাঘ এসেছে! বাঘ এসেছে! পাশ্ববর্তী হলেও অর্ধ মাইল সেপথে ঘন জঙ্গল আর বাঁশ বাগান। প্রিয়নাথের মা মুক্তকেশী দেবী পুত্রের সাহস পরীক্ষার নিমিত্তে বললেন যে, বাড়ি হতে সে পথ ধরে বাজারে পৌছাতে পারলে পুত্রকে এক টাকার সন্দেশ উপহার দিবেন। প্রিয়নাথ অতি সাগ্রহে বাজারের পথে বেরিয়ে পড়লো, পথে বাঘের সাথে দেখাও হয়ে গেল কিন্তু কোন দ্বন্দ্ব হয়নি। নির্বিঘ্নেই সে বাজারে পৌছাতে পেরেছিল। মাও কিন্তু ছেলেকে এভাবে ছেড়ে দিতে পারেননি। গোপনে বাড়ির একজন পরিচারক ঠিক সঙ্গে দিয়েছিলেন। এই ঘটনার সময় প্রিয়নাথের বয়স মাত্র ৭ কিংবা ৮। বড় হয়ে এই শিশু হয়েছিলেন প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, যাকে বলা হয়েছে বাংলা গোয়েন্দা গল্পের পথিকৃৎ।
Cash On Delivery
7 Days Happy Return
Delivery Charge Tk. 50(Online Order)
প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় (১৮৫৫-১৯৪৭) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক এবং কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক। তিনি তাঁর গোয়েন্দা বই “দারোগার দপ্তর”-এর জন্য পরিচিত ছিলেন। তাকে বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যের একজন পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।

পেশা
প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায় ছিলেন কলকাতা পুলিশের লালবাজার থানার গোয়েন্দা বিভাগের দারোগা। তিনি ৩৩ বছর ধরে পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন (১৮৭৮-১৯১১)। তিনি ছিলেন কলকাতা পুলিশের একজন বিখ্যাত গোয়েন্দা। তিনি কলকাতার অনেক রহস্যময় মামলা সমাধান করেছেন।

কাজ
গোয়েন্দা বিভাগে তাঁর ৩৩ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি গোয়েন্দা বইটি দারোগার দপ্তর লিখেছিলেন।

এই লেখকের আরো বই