চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোলো (হার্ডকভার)

লাল ডায়েরি

    2025 সাল। অনিন্দ্য সুন্দর নিকিতাকে কখনোই ভালোলাগা, ভালোবাসা আর স্বপ্নের কথাগুলো বলতে পারবে না বলেই লাল ডায়েরিতে মনের কথাগুলো চিঠিরূপে লিখে রাখে ভার্সিটির ছাত্র নির্ঝর। সে বোঝে অস্কারজয়ী বাংলাদেশের একমাত্র নায়িকা নিকিতা আর তার মধ্যে কত কত দূরত্ব! নিকিতা যে তার ডায়েরিটাও কোনোদিন পড়বে না তাও সে জানে। আর এই জানা এবং উপলব্ধির কারণেই নিকিতাকে নিয়ে মনের গোপন ইচ্ছে আর বাসনার কথাগুলো সে মনের মাধুরী মিশিয়ে লাল ডায়েরিতে লেখে। লেখে কল্পনার নিকিতাকে নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার কথা, দিকহীন অজানা গহিন অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার কথা, পূর্ণিমা রাতে ভরা জোছনায় হাত ধরে হাঁটার কথা, দূর গ্রামে হিজলতলায় বসে রিমঝিম বৃষ্টি দেখার কথা, বসন্তের ঝিরঝিরে বাতাসে নিকিতার রেশমি চুলের স্পর্শ অনুভবের কথা, লাল-নীল নানা রঙের ছোট ছোট স্বপ্ন ভালোবাসার কথা, এমনকি কোথাও নীরবে নিভৃতে একটি রাত কাটানোর কথাও। ঘটনাক্রমে নির্ঝরের লাল ডায়েরিটি একদিন নিকিতার হাতে গিয়ে পড়ে। পরের দিনই নিকিতার ম্যানেজার এসে নির্ঝরকে একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে নিকিতা নির্ঝরের ইচ্ছেপূরণের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। জানায় এক মাস পর সে সত্যি কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে নির্ঝরের সাথে একটি রাত কাটাতে চায়। ঝোঁকের মাথায় নির্ঝর সম্মতি দেওয়ার পরই বুঝতে পারে কী ভয়ানক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে! শর্তগুলোকে সে যত সহজ মনে করেছিল বাস্তবে সেগুলো অনেক অনেক কঠিন। তাই তো আবেগ, উত্তেজনা, অস্থিরতা আর অনিশ্চয়তার পাগল হওয়ার মতো অবস্থা হয় তার। অস্থির নির্ঝর একসময় সিদ্ধান্ত নেয় নিকিতার সাথে সে দেখা করবে না। কিন্তু হঠাৎ-হঠাৎ নির্ঝরকে লেখা নিকিতার চিঠিগুলো আবার তাকে উজ্জীবিত করে তোলে। অবশেষে আসে রহস্যে ঘেরা বহু অপেক্ষার সেই রাত। কী ঘটেছিল ঐ রাতে? আর কীইবা ছিল নিকিতার শর্তগুলো? আর সমাপ্তিটাও বা কী ছিল?
Cash On Delivery
7 Days Happy Return
Delivery Charge Tk. 50(Online Order)
মোশতাক  আহমেদ
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলা সাহিত্যে যে সকল কথাসাহিত্যিক দারুন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে মোশতাক আহমেদ অনত্যম। মোশতাক আহমেদ ১৯৭৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সড়ইবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।

  শিক্ষাজীবন

মোশতাক আহমেদের প্রাথমিক পড়াশুনার শুরু নিজ গ্রামের প্রাথমিক সরকারী বিদ্যালয়ে। তিনি ১৯৯০ সালে খুলনা জিলা স্কুল হতে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৯২ সালের তিনি খুলনা বিএল কলেজ থেকে যশোহর বোর্ডে সম্মিলিত মেধাতালিকায় ১৩ তম স্থানসহ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী ডিপার্টমেন্ট হতে প্রথম শ্রেণীসহ অনার্স এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ্ বিজনেস এডমিনেস্ট্রেশন (আইবিএ) হতে তিনি ৩২ তম ব্যাচে এমবি এ ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০৫-০৬ সালে ব্রিটিশ সিভনিং (ঈযবাবহরহম) স্কলার হিসেবে তিনি ইংল্যান্ডের লেস্টার ইউনিভার্সিটি হতে কৃতিত্বের সাথে ক্রিমিনোলোজিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।

 কর্মজীবন

মোশতাক আহমেদ ঢাকা ভার্সিটিতে অধ্যয়ন শেষে প্রথমে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস্ েযোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০০১ সালে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি স্টাফ অফিসার টু ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাইবান্ধা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, পার্সোনাল সেক্রেটারি টু দ্যা ইন্সপেক্টর জেনারেল অব বাংলাদেশ পুলিশ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে ইন্টেলিজেন্স এন্ড এন্যালাইসিস বিভাগ, ওয়ারি ও গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদে কর্মরত রয়েছেন। ২০০৮-০৯ সালে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হিসেবে লাইবেরিয়ায় এবং ২০১২-১৪ সালে সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেন এবং পাঁচবার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী পদকে ভূষিত হন। বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টবল পদে নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আধুনিকায়ন এব যুগোপযুগী করার উদ্দেশ্যে ’কনস্টবল হ্যান্ডবুক’ প্রশিক্ষণ ম্যানিউল তৈরিতে মূল দায়িত্বপালনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভূষিত হন। হলি আর্টিজান সন্ত্রাসী হামলা মোকাবেলায় সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ২০১৭ তিনি বাংলাদশে পুলিশের সর্বোচ্চ সেবামূলক পদক বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) প্রাপ্ত হন। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাইলেশন এবং গুলশান বিভাগে সর্ববৃহৎ ডিজিটাল সার্ভিলেন্স সিস্টেম (সিসিক্যামেরা) কন্ট্রোল রুম স্থাপনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালে তিনি পূনরায় প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) এ ভুষিত হন। এছাড়া তিনি পেশাদারিত্বে চৌকস ভূমিকার জন্য দুইবার আইজিপিস্ এক্সামপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ লাভ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের সিভনিং স্কলার (ঈযবাবহরহম ঝপযড়ষধৎ) হোল্ডার এবং একজন অষ্ট্রেলিয়া সরকারের একজন অ্যাওয়ার্ডি। কর্মজীবনে তিনি দেশে ও বিদেশ বহু প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।

  সাহিত্যজীবন

মোশতাক আহমেদের লেখালেখির শুরু ছাত্র জীবনে। ’জকি’ তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। জীবনধর্মী এই উপন্যাসটি প্রকাশের পর তিনি ঝুকে পড়েন সায়েন্স ফিকশনের দিকে। রোবটিজম, ক্লিটি ভাইরাস, নিহির ভালোবাসা, লাল শৈবাল, ক্রিকি, পাইথিনের মতো দুর্দান্ত সায়েন্স ফিকশনগুলো তাকে সায়েন্স ফিকশনের জগতে শক্ত ভীত তৈরি করে দেয়। ’রিবিট’ নামের সায়েন্স ফিকশন সিরিজ কিশোরদের কাছে হয়ে উঠে দারুন জনপ্রিয়। রিবিটের জনপ্রিয়তার কারণে তিনি ’ছোটদের রিবিট’ নামে নতুন একটি সিরিজ লিখেন। একইভাবে পৃথিবীতে আগত ভিন গ্রহের বালক ’লো’ এর অভিযান নিয়ে রচিত ’লো’ সিরিজটি এখন রয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। পাশাপাশি ভৌতিক উপন্যাসের ক্ষেত্রেও তিনি পাঠকের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। বের হচ্ছে একটির পর একটি উপন্যাস। জনপ্রিয়তার বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে কিশোর গোয়েন্দা ’শিশিলিন’ সিরিজ। বাংলাদেশ ভিত্তিক কিশোর দুই ভাইয়ের গোয়েন্দা ও অ্যাডভেঞ্চারের সব লোমহর্ষক কাহিনী জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌছে দিয়েছে তাকে। প্যারাসাইকোলজি উপন্যাসের ক্ষেত্রে তিনি বাংলা সাহিত্যে অদ্বিতীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। মায়াবী জোছনার বসন্তে, মন ভাঙ্গা পরী, নীল জোছনার জীবন, জোছনা রাতের জোনাকী, ছায়াস্বর্গ, স্বপ্নস্বর্গ প্যারাসাইকোলজি এই উপন্যাসগুলো বাংলা সাহিত্যে জন্ম দিয়েছে নতুন এক ধারার যা মোশতাক আহমেদের বহুমাত্রিক সাহিত্য বিচরণে যোগ করেছে বলিষ্ঠ মাত্রা। তার গবেষণাধর্মী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ’নক্ষত্রের রাজারবাগ’ লেখালেখির জগতে এক অসাধারণ উপস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃত। তার প্রকাশিত লাল শৈবাল সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসটি ঞযব জবফ অষমধব নামে ইংরেজি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১০৮। উল্লেখ্য তার প্রথম লিখিত উপন্যাস ’মাকই মাছ’ এর পান্ডুলিপি হারিয়ে যাওয়ায় সেটি এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তার বলিষ্ঠ ও সুনিপুন পদচারণার কারণে তিনি বহুমাত্রিক লেখক হিসেবেই বেশি পরিচিত।

 গ্রন্থসমূহ
মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস – নক্ষত্রের রাজারবাগ, মুক্তিযোদ্ধা রতন।

প্যারাসাইকোলোজি উপন্যাস – মায়াবী জোছনার বসন্তে, নীল জোছনার জীবন, জোছনা রাতের জোনাকী, বৃষ্টি ভেজা জোছনা, মন ভাঙ্গা পরি, ছায়াস্বর্গ, স্বপ্নস্বর্গ, মায়াস্বর্গ।

জীবন ধর্মী উপন্যাস – জকি, লাল ডায়েরি, শিকার

ভ্রমণ ও বিদেশ অভিজ্ঞতা – বর্ষা বসন্তের দিগন্ত

সায়েন্স ফিকশন – রোবটিজম, ক্লিটি ভাইরাস, লাল শৈবাল, নিহির ভালোবাসা, ক্রি, ক্রিকি, লাল মানব, রোবো, লিলিপুটের গ্রহে, পৃথিবীতে লিলিপুটেরা, লিলিপুটদের ফিরে যাওয়া, নিকি, গিগো, পাইথিন, গিপিলিয়া, বায়োবোট নিওক্স, রিরি, অনুমানব, দ্বিতীয় পৃথিবী, লাল গ্রহের লাল মানব, সবুজ মানব, প্রজেক্ট ইক্টোপাস, রোবটের পৃথিবী, প্রজেক্ট হইপার, গিটো, নিরি, নিলির ভালোবাসা, অমর মানব, গামা ।

ভৌতিক – আত্মা, অতৃপ্ত আত্মা, প্রেতাত্মা, রক্ত তৃষ্ণা, অভিশপ্ত আত্মা, রক্ত পিপাসা, উলু পিশাচের আত্মা, শয়তান সাধক চিলিকের আত্মা, ইলু পিশাচ, অশুভ আত্মা, রক্ত সাধনা, ছায়ামৃত্যু।

রিবিট সিরিজ (সায়েন্স ফিকশন) – রিবিট, রিবিট এবং ওরা, রিবিটের দুঃখ, রিবিট ও কালো মানুষ, শান্তিতে রিবিট, হিমালয়ে রিবিট, রিবিট ও দুলাল, রিবিট ও এলিয়েন নিনিটি।

লো সিরিজ Ñ লো, নরেন্দ্র জমিদারের যুগে, রাক্ষসের দেশে, জংলীর দেশে, দূর গ্রহের নিগি, রোবটের যুগে

কিশোর গোয়েন্দা ও অ্যাডভেঞ্চার (শিশিলিন সিরিজ)– ববির ভ্রমণ, ডাইনোসরে ডিম, লাল গ্যাং, জমিদারের গুপ্তধন, হারানো মুকুট, কঙ্কাল ঘর, লালু চোর, ডলার গ্যাং, খুলি বাবা, রেড ড্রাগন, নিতুর টিয়া।

অন্যান্য – নিরাপত্তা হ্যান্ডবুক, এক ঝলক কিংবদন্তী হুমাযূন আহমেদ।

ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ – ঞযব জবফ অষমধব (লাল শৈবাল সায়েন্স ফিকশনের অনুবাদ)

সংকলন – সেরা পাঁচ উপন্যাস, সেরা পাঁচ সায়েন্স ফিকশন, সেরা পাঁচ ভৌতিক, সেরা পাঁচ কিশোর উপন্যাস, পাঁচ অধ্যায়, নির্বাচিত সায়েন্স ফিকশন, আত্মাসমগ্র

  সাহিত্য পুরস্কার

জাতীয় পর্যায়ে সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য তিনি ২০১৮ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন। শিশু সাহিত্যে অবদানের কারণে ২০১৮ সালে ভূষিত হন শিশু একাডেমি পুরুস্কারে । এছাড়া তিনি কালি ও কলম সাহিত্য পুরস্কার ২০১২, ছোটদের সেরা বই পুরস্কার ২০১৪, কৃষ্ণকলি সাহিত্য সম্মাননা ২০১৪, চ্যানেল আই সিটি আনন্দ আলো পুরস্কার ২০১৫ লাভ করেছেন।

  বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি

মোশতাক আহমেদ বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমান সভাপতি। তিনি ২০১৫ সালে কয়েকজন উদ্যমী বিজ্ঞানপ্রেমীদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলাদেশে প্রথম কথা বলা হিউমানয়েড রোবট তৈরির উদ্যোগ নেন। ’রিবো’ নামের ঐ রোবট ২০১৬ সালে প্রথম সায়েন্স ফিকশন ফেস্টিভ্যাল প্রদর্শিত হয়। এরপর দ্বিতীয় হিউমানয়েড রোবট ইবোও তৈরি হয় বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির তত্ত¡াবধানে। দেশব্যাপি বর্তমানে বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির সদস্য সংখ্যা ১৫০০০।

  ডকুমেন্টারি
মহান স্বাধীনতা অর্জনে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী রাজারবাগ পুলিশ লাইনাস্ দখল করার চেষ্টা করলে রজারবাগের পুলিশ এবং পাকিবাহিনীর মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল তার উপর তিনি ’মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ’ নামে একটি ডকুমেন্টারি তৈরি সম্পন্ন করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশের তত্ত¡াবধানে নির্মিত ডকুমেন্টারিটি ২০১৩ সালের মার্চ মাসে মুক্তি পায়। উক্ত ডমুকেন্টারিটি মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের বীরোচিত ভূমিকার এক অনন্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি এবং প্রতিদিন পুলিশ মুক্তিযুদ্ধ যাদুুঘরে প্রদর্শিত হয়ে থাকে।

  নাটক
মোশতাক আহমেদ ২০১৭ সালে স্বরচিত মায়াবী জোছনার জীবন নামে প্রথম নাটক পরিচালনা করেন। নাটকটি চ্যানেল আই প্রচারিত হয়।

দেশ ভ্রমণ
মোশতাক আহমেদ তার কর্মজীবনে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড, ডেনমার্ক, জার্মানী, অষ্ট্রিয়া, ইটালী, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ভারত, সংযুক্ত আরব আমীরাত, লাইবেরিয়া, সিয়েরালিওন, মরক্কো, ঘানা, আইভরিকোস্ট, সুদান, মিশর, জাপান, অষ্ট্রেলিয়াসহ আরও অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন।

  প্রকাশিতব্য উপন্যাস
মোশতাক আহমেদের প্রকাশিতব্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে, গরপৎড়সধহ (অনুমানব সায়েন্স ফিকশনের ইংরেজি অনুবাদ), শিকল, শিয়াল, শান্তির সীমানা, নুন।

ফেইসবুক: https://www.facebook.com/mostaque.ahamed.5

এই লেখকের আরো বই