চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোলো (হার্ডকভার)

মুক্তিযুদ্ধে যশোর

    "মুক্তিযুদ্ধে যশোর" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: মুক্তিযুদ্ধে যশাের গ্রন্থে বিধৃত ঘটনা প্রবাহ লেখক রুকুনউদ্দৌলাহ’র রচনা শৈলীতে জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠেছে। বইখানি যখন এই প্রজন্মের হাতে যাবে তখন তারা স্বদেশ প্রেমে আলােড়িত হবে, সহজেই অনুধাবন করবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর। এদেশীয় রাজাকার আলবদররা কী মানবতা বিরােধী কাজটাই না করেছিল। তাদের প্রতি চরম ঘৃণার উদ্রেক হবে। আর সেদিনের যারা অত্যাচারিত নির্যাতিত মানুষ এবং যারা এর প্রত্যক্ষদর্শী, আজো জীবিত আছেন, তারা নতুন করে শিহরিত হবেন। দীর্ঘদিন গত হলেও বাঙালি জাতির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইতিহাসের সেই নির্মম কাহিনী, স্বাধীনতার জন্য শত্রুর বিরুদ্ধে নিরস্ত্র মুক্তিকামী মানুষের নজীরবিহীন বিরত্বপূর্ণ লড়াই প্রভৃতির ঘটনা পাঠক সমাদৃত করে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়েছে এই কারণে যে, লেখক নিজেই একজন মুক্তিযােদ্ধা। তিনি ঔপনিবেশিক শাসন-শােষণ, অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার মানুষের ব্যথায় প্রত্যক্ষভাবে সমব্যথী। যার ঘা বেদনা তিনি নিজেই বােঝেন। ‘কী যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে, কভু আশিবিষে দংশেনি যারে’ রুকুনউদ্দৌলাহ তাে দংশিত মানুষ। তিনি বিষের যাতনা বােঝেন বলেই কষ্টটা অন্যকে বােঝাতে সক্ষম হয়েছেন। লেখক রুকুনউদ্দৌলাহ তার মুক্তিযুদ্ধে যশাের গ্রন্থটিকে ইতিহাস বলেননি; বলেছেন ইতিহাস বেত্তাদের ইতিহাস রচনা ও গবেষকদের গবেষণার কাজে সহায়ক হবে। তবু নির্দ্বিধায় বলা যায় বইখানি অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাস। অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিক হিসেবে তার খ্যাতি রয়েছে। তার সেই অনুসন্ধিৎসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন এই বইয়ে ।
Cash On Delivery
7 Days Happy Return
Delivery Charge Tk. 50(Online Order)
রুকুনউদ্দৌলাহ:
জন্ম -২০ মার্চ, ১৯৫৬। 
জন্মস্থান: পশ্চিমবঙ্গের বাদুড়িয়া থানা, জেলা ২৪ পরগানা।

রুকুনউদ্দৌলাহ’র শৈশব-কৈশোর কেটেছে নওগাঁয়। সেখানে থাকতেন অগ্রজ আসফউদ্দৌলা’র কাছে।
নওগাঁ কেডি স্কুলে পড়াকালীন বেজে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের দামামা।
রাজনৈতিক সচেতন রুকুনউদ্দৌলাহ পরিবারের সাথে চলে যান ভারতে।
সেখানে শিলিগুড়িতে প্রশিক্ষণ শেষে ফ্রিডমফাইটার হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

নওগা সরকারি কেডি বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, সরকারী সিটি কলেজ,যশোর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং সরকারী এমএম কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন।
ধর্ম মানবতা।
সাংবাদিকতা ছাড়া অন্য কোনো পেশায় ঢোকেননি এক মুহূর্তের জন্যেও।
দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম দৈনিক সংবাদ এর সাথে জড়িত চার দশকের বেশি সময় ধরে।
‘সংবাদ’ এ তার নিয়মিত কলাম ‘গ্রাম-গ্রামান্তরে’ বেশ জনপ্রিয়।
তিনি চ্যানেল আই, রেডিও টুডেতে কাজ করেছেন।
যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্ফুলিঙ্গ, দৈনিক ঠিকানা, দৈনিক রানার, দৈনিক কল্যাণ’এ বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন।
বর্তমানে যশোর থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক যশোরের কাগজের সম্পাদক।
এ পেশায় সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পেয়েছেন আইডিই পুরষ্কার, যশোর শিল্পী গোষ্ঠী পদক, জ্ঞানমেলা পদক 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে গ্রহণ করেন বজলুর রহমান স্মৃতিপদক।
শ্রাবণ প্রকাশনী থেকে ‘গ্রাম- গ্রামান্তরে’, নবযুগ প্রকাশনী থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধে যশোর’ নবরাগ প্রকাশনী থেকে ‘আমার কৈশোর আমার মুক্তিযুদ্ধ’ ‘মানুষের ভাবনা মানুষের কথা’ এবং ‘ছোট ছোট কথা অচেনা মানুষ’ ‘জনতার গভর্নর’ ‘দেশ জনতার খণ্ডচিত্র’‘রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা’ গাঁও গেরামের কথা’ অরিত্র প্রকাশনী থেকে‘ যশোর রোড ১৯৭১’ হাতাহাতি যুদ্ধ ১৯৭১‘নামে বই প্রকাশিত হয়েছে।
একই সাথে ‘আমার কৈশোর আমার মুক্তিযুদ্ধ’ বইয়ের ইংরেজি ভার্সানও প্রকাশিত হয়েছে।

এই লেখকের আরো বই